4th Street Bar Hive-Bar

Hive-Bar Powered by Hive beta-fdb5b5b

Community post

ফ্লাইট না পেয়ে বিমানবন্দরে শতাধিক হজযাত্রীর ক্ষোভ

তাদের অভিযোগ, হজ এজেন্সিগুলো তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এয়ারপোর্টে হাজির করতে না পারায় এই বিপত্তি ঘটেছে।

মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা নামের এক হজযাত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মিরপুরের মীর এজেন্সিকে তিন লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি হজে যাওয়ার জন্য। সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তার হজে যাওয়ার কথা ছিল।

“শুক্রবার বিকাল ৫টায় আমাদের ফ্লাইট ছিল। বিকাল সাড়ে ৪টায় আমাদের এয়ারপোর্টে আনা হয়। পরে জানতে পারি, প্রায় শতাধিক যাত্রীকে রেখেই বিমান চলে গেছে।”

দিনাজপুর থেকে আসা তরিকুল ইসলামের বাবা আজাহার আলী ও মা আনোয়ারা বেগমেরও শুক্রবার বিকালে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারাও ফ্লাইট ধরতে পারেননি।

তরিকুল জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পৌঁছে ওই এয়ারলাইন্সের কাউন্টার বন্ধ পান তারা।

সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের কাস্টমার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার বিকাল সোয়া ৫টায় এসভি-৮০৯ ফ্লাইটের ৬৭ জন এবং এসভি- ৮৪৭ ফ্লাইটের ৪০ জন রওনা হতে পারেননি।

তিনি বলেন, এজেন্সিগুলো সময়মতো যাত্রীদের বিমানবন্দরে আনতে পারেনি। কাউন্টার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তারা বিমানবন্দরে এসে রিপোর্ট করেন।

“বুধবার বৃষ্টির কারণে ফ্লাইট ডিলে ছিল। এজন্য আমাদের অনেক জবাবদিহি করতে হয়েছে। আজ দেরি না করেই ফ্লাইট ছেড়ে গেছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তসলিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি খোঁজ নিয়েছি, হজযাত্রীরা দেরিতে রিপোর্ট করেছেন বলে ফ্লাইট চলে গেছে। তাদের টিকেট নতুন করে ইস্যু করে দেওয়া হবে। পরে তাদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।”

শিলা নামের এক গৃহিনী জানান, তার খালা শ্বশুর আজফার হোসেন ও খালা শাশুড়ি জাহানারা বেগমের বিকালের ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা কাগজপত্র পান বিকাল ৪টার দিকে। পরে বিমানবন্দরে গিয়ে জানতে পারেন, ফ্লাইট চলে গেছে।

মীর ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে আজফার হোসেন দম্পতি হজে যাচ্ছেন জানিয়ে শিলা বলেন, “ওই এজেন্সির মালিক নুরুল ইসলাম পরে বুঝিয়ে শুনিয়ে সবাইকে হজক্যাম্পে নিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন, আজ তাদের যে ৪৩ জন যেতে পারেননি, তাদের পরে পাঠানো হবে।”

কিন্তু সেজন্য জনপ্রতি বাড়তি ২৬ হাজার টাকা করে চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিলা।

এ বিষয়ে কথা বলতে নুরুল ইসলামকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রশ্নের জবাবে হাবের মহাসচিব বলেন, “বাড়তি টাকা যাত্রীদের দেওয়ার কথা নয়। তবে গাফিলতিটা কার তা বিবেচান করতে হবে। এজেন্সির কোনো গাফিলতি থাকলে অতীতের মত এবারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ রকম ক্ষেত্রে মোয়াল্লেমরা পরে যাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা না।”

9 upvotes $0.00

Replies (7)

Review before signing

Posting as . Signing with . Keychain permission: Posting. Hive Keychain will ask you to approve this action next.


  
Technical details

Operation fingerprint: