Community post
চাকরি, জীবন ও জীবিকা !!
জীবনের প্রতি পদে পদে ভুল করে শেষ হয় শিক্ষা জীবন। যেখানে চাহিদা আর যোগানের পার্থক্যের বিস্তার অনেক সেখানে মূল উদ্দেশ্য কিংবা স্বপ্ন পূরণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবুও স্বপ্ন পুরনের ব্যর্থ চেষ্টা আমাদের অব্যহত থাকে। সল্পমাত্রার মেধা জ্ঞান আর নিরলস পড়ার সাধনাও আমাদের স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে পারেনা। তাই দিন শেষে জীবন জীবিকার সন্ধানে চাকরির অন্ধকার প্লাটফর্মে দিক বেদিক ছুটাছুটি করা ছাড়া আর কিছু উপায় থাকেনা। যে স্বপ্ন পুরনের জন্য নিজের মেধার উপর অত্যচার করে মেধাকে নির্জীব করে ফেলেছি আজ সেই স্বপ্ন যেন কোন স্বপ্ন নয় শুধু জীবন আর জীবিকার জন্য সেই ঘুমন্ত মেধাকে বারবার জাগিয়ে তুলার প্রাণপণ চেষ্টা করে যেতে হয়।
সকল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার নামক স্বপ্নগুলি ধুলো পড়ে মুছে যায় আর চাকরির স্বপ্ন মনের ভেতর ছটফট করে লাফাতে থাকে। একটা জবই যেন হতে পারে সকল প্রশান্তির মূল চাবিকাঠি। তাই হন্যে হয়ে খুজতে হয় জীবনের পরম সেই শান্তির চাকরি, কিন্ত সবার ভাগ্যে কি তা মেলে ? মেলেনা। আচ্ছা একি শুধু জ্ঞান আর মেধার প্রতিযোগিতা নাকি ভাগ্য বলেও একটা অদৃশ্য কপালের লিখন লিপিবদ্ধ আছে ? আমি সেটা বিশ্বাস করি, জীবনকে টেনে নিয়ে যাওয়ার জন্য কত শক্তি দিয়ে নিজের সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে চাই কিন্ত কিছুই যেন আচ্ছন্ন বাঁধাকে অতিক্রম করতে পারিনা। অথচ জীবন তার নিজের মত করে চলে যাচ্ছে, কোথাও কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ইচ্ছে করলেই নিজের মত করে সময় কে বেধেরাখতে পারা যায়না। জীবন জীবিকার টানে নিজের অবস্থানকে শক্ত করার যে ব্যর্থ প্রচেষ্টা তা বারবার সময়ের কাছে মাথানত করে। জীবন জেনো কোন ভাবেই কন্ট্রোল হয়না।
কতভাবেই না চেষ্টা করেছি উন্নত জীবনের পথে হাঁটতে কিন্ত হচ্ছে কৈ ? হচ্ছেনা, বারবার শতচেষ্টার পরেও থমকে থাকে জীবনের গতিধারা। কিভাবে যেন পার হয়ে যাচ্ছে সময়, কিছুতেই তাকে চেঞ্জ করতে পারছিনা। জীবন জীবিকা যে স্থির হয়ে বসে আছে পরিবারের চার দেয়ালে। সেই পরিবারে থেকে অদৃশ্য হয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে রক্তাক্ত করছে আমাদের সুখ। তবে কি এ থেকে পরিত্রাণ নেই ?
নারীর চাকরি করার পিছনে আমার মত থাকলেও আমাদের দেশে নারীর চাকরি করা অনেকটা বেকারত্ব বাড়ার কারণ হিসেবেও গণ্য। কারণ আমাদের দেশে নারী চাকরিজীবীর মধ্যে শতকরা ৯০% নারী কাজ করছে তার পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য পরিবার পুরাপুরি চালাবার জন্য নয় । তার চাকরি করার জন্য হয়ত তার পরিবারে একটা ভাল স্বচ্ছলতা আসবে। কিন্ত একজন পুরুষের উপর একটা পুরা পরিবার নির্ভর থাকে। কখনো কখনো সংসারের বড় ভাইয়ের উপর সম্পূর্ণ পরিবার তাকিয়ে থাকে। তাই কোন নারীর আসনে যদি একটি ছেলে কাজ করত তাহলে তার পুরু পরিবার অর্থনৈতিক মুক্তি পেত। বিদেশীদের ব্যাপার আলাদা । কারণ তাদের প্রয়োজনীয় জনশক্তির তুলনায় জনগণ কম। তাই সেই দেশে নারীদের কাজ করার উৎসাহ দেওয়া হয়। কিন্ত আমাদের দেশের বেলায় তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ আমাদের দেশে জনশক্তির তুলনায় পুরুষ জনগণ অনেক অনেক বেশী।
Replies (0)
Conversation
No replies yet
Replies will appear here as people join the conversation.