Community post
পড়ন্ত বিকেলে তুমি আমি আর দু কাপ চা……….

প্রিয় মানুষ, পড়ন্ত বিকেল প্রচণ্ড গরম তারপর কেন জানি ক্লান্তি নেই. দু কাপ চা নিয়ে চলে গিয়েছিলাম ছাদে. আজ বেশ বাতাস ছিল বাহিরে. তারপর সারাদিন যে পরিমানে খরা ছিল তাতে বাতাসের কাছে খরা কেন জানি পরাজয়. আজকের ওয়েদার দেখে বেশ ভালো লাগছে বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে যাচ্ছিল. কিছু ভালো সময় পার করেছি. সাথে ছিল আমার প্রিয় মানুষ. প্রিয় মানুষের সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত যেন ভালোবাসার এক বহিঃপ্রকাশ. যেখানে কোন ক্লান্তি আসে না. প্রিয় মানুষ গল্প আড্ডা চায়ের সাথে সুন্দর একটা সময় পার করেছি আজ.যান্ত্রিক জীবনে আমরা এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছি সময় নেই প্রিয় মানুষের সাথে কাটাবো এমন সময়. আজকাল সময় বের করে নিতে হয় মানে সময় চেয়ে নিতে হয়. এই কথাগুলো বোঝার মত মনুষ্যত্ব হয়তোবা এখন মানুষের মধ্যে নেই. তাই তো বললাম হয়তো বা জেনারেশন একটা গ্যাপ এই কারণে আজকাল বনিবনন্ত খুব কমই হয় .গরমে সবকিছু অসহ্য লাগলেও প্রিয় মানুষটাকে আর কখনো আসলে বলা হয় না তুমি আমার ক্লান্তির কারণ. বর্তমান যুগে এমন একটা পর্যায়ে আমরা আছি ,আমি যেটা ভেবেদেখেছি. সেটাই তোমাদের সাথে আজ শেয়ার করব.

বর্তমান যুগে আমরা দেখছি সেটা হচ্ছে আপন মানুষ তো আপনি না বলতে পারেন রক্তের সম্পর্ক মানে তো আত্মার সম্পর্ক এই সম্পর্কের গুলার আজকাল কোনো মূল্যই নেই. সম্পর্ককে মানুষ এমন একটা পর্যায়ে এনে দ্বারা করিয়েছে যে সম্পর্ক গুলোর কোন মূল্য নাই তাদের কাছে. এটার কারণ কি আসলে জেনারেশন গ্যাপ? আমার কাছে কেন জানি মনে হয় এটা জেনারেশন গ্যাপ হতে পারে কারণ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি সেজন্য হয়তোবা আজকে মানুষের ভেতরে মনুষত্ব বলে কোন কিছু নেই . যেভাবে পারছে সেভাবে তার নিজের স্বার্থের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে .তাহলে কি পৃথিবীতে মানুষ স্বার্থহীনতায় ভুগছে? আমি অনেক কিছু ভেবে দেখি স্বার্থপর মানুষ স্বার্থপরতা হিংসা করা. এই জিনিসগুলো নিজের ভেতর থেকে বের করে আনাটা খুব জরুরী আমাদের. কারণ মৃত্যু সবারই নিকটে. জন্ম যেহেতু হয়েছে মৃত্যু তোমার হবেই এই কারণে আমি কথাটা বললাম.

জীবনে চলার পথটা এত বেশি কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন তাতে করে মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে. বাংলাদেশের মানুষের কথা যদি বলি তাতে তাদের ভেতরে একটা জেলাসি আমি দেখেছি সেটা হচ্ছে তুমি কেন ভালো আছো আমি কেন ভালো নেই. এই অহংকারী জিনিসগুলো প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরে বাস করে কেউ প্রকাশ করে কেউ ভেতরে পুষে রাখে. আমি আমার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই এই কথাগুলো বলছি. কারণ আশেপাশের মানুষের মধ্যে এত নেগেটিভিটি দিয়ে ভরা যে প্রতিদিন একবার করে মনে হয় যুদ্ধে জয়ী হয়ে আমি আবার পরাজিত হয়ে যায়. ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়াটা খুব ভাগ্যের ব্যাপার. জীবনসঙ্গী ভালো না হলে ওই তো সেই আবার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে পরের সংসারী নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। আমার কাছে মনে হয় মেয়েদের ভাগ্যটা ভালো হওয়া উচিত।আর একটা কথা বলতে পারি আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শাশুড়ি কখনো মা হয় না. মায়ের স্থান শুধু নিজের কাছে রাখবো না মা তোমায় হয় মার সাথে তুলনা অন্য কোন কিছুতেই হয় না. কারণ মা ভেদাভেদ করে না. মা খাবার বেড়ে প্রথমে তার নিজের সন্তানের কথাই ভাববে এটা স্বাভাবিক তাই অন্যের বাসায় গিয়ে আপনি কষ্ট পাবেন না .যে আপনাকে কেন ডাকলো না বা আপনাকে কেন বড় মাছের মাথাটা দিল না. আমরা মেয়েরা বোকা তাইতো এই জিনিসগুলো ধরে আমরা কষ্ট পাই আমরা কেন বুঝি না সে তো আর আমার নিজের মা না. কারণ তোমার বাড়িতে তোমার যতটুকু অধিকার থাকে অন্য বাড়িতে তোমার সেটুকু অধিকার থাকবে না কারণ ওই বাড়িটা তো তোমার না. মেয়েরা সবথেকে বেশি কষ্ট পায় তিনটা সময় আমি যেটুকুজানি.প্রেগনেন্সির সময় তার প্রতি কার কেমন ব্যবহার ছিল. বিয়ের পরে স্বামীর বাড়ির মানুষ প্রথম দিকে তার সাথে কেমন আচরণ করেছিল, বাচ্চা হওয়ার পরে তার পাশে কে ছিল আর তাকে কতটা সাহায্য করা হয়েছিল বা অবহেলা করা হয়েছে. ঘরের পুরুষদের যখন জিজ্ঞাস করা হয় তার পছন্দের নারীকে সে উত্তরে কি বলে জানেন এটা কিন্তু স্বাভাবিক আমরা অনেকেই জানি তার মা. আমাদের দেশে এটা একটা ব্যাপার পুরুষ যদি স্ত্রীকে তার প্রিয় নারী বলে বা ভালোবাসি বলে তাহলে তাদের ইগো নষ্ট হয়ে যায় সমাজ তাকে বউ পাগল বলে. তাই কখনো নিজের প্রিয় মানুষের কাছে প্রিয় মানুষ হতে পারবে না. কারণ প্রত্যেকটা মেয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে প্রতিদিন একবার করে যুদ্ধে পরাজিত হয় প্রতিটি স্বামীর কাছে. আসলে বলতে পারেন জীবনটা এমন কেন? এই যে মেয়েদের সাথে যেই জিনিসগুলো হয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা দেশেই হয় আমার জানা নেই কেউ জেনে থাকলে জানাতে পারেন. স্বামী সংসার প্রতিনিয়ত ৯৫ শতাংশ মেয়েদের আজকাল ডিভোর্স কারণ একটাই শ্বশুর বাড়ির সাথে বনি বানাত নাই. জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু গল্প যেগুলো গল্প হয়ে রয়ে যায় সব কথা আসলে শেয়ার করা যায় না কিছু কথা একান্তই নিজের হয়ে থেকে যায়. সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন .বেশি করে পানি পান করবেন কারণ এত বেশি গরম পড়েছে ডিহাইড্রেশন হতে পারে শরীর সুস্থ রাখার জন্য অবশ্যই আপনাকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে. নিজে সুস্থ থাকবেন সামনের মানুষটাকেও সাহায্য করবেন এতে করে জীবন আরও বেশি সহজ হয়ে যাবে.
Replies (0)
Conversation
No replies yet
Replies will appear here as people join the conversation.