Community post
একদিন জ্যোৎস্নাভাঙা রাতে

ছবি উৎস
মাঝে মাঝে আমার কাছে অচেনা কিছু মানুষ আসে। তারা কিছু বলতে চায়। আমাকে। কেউ কেউ বলে ,কেউ কেউ চুপচাপ বসে থাকে ,বলে না কিছু। একদিন একটা মেয়ে এলো। কালো মতো দেখতে ,কিন্তু অপুর্ব মিষ্টি তার চেহারা। চুপচাপ বসে আছে সে। সাধারণ চুপচাপ বসে থাকলে আমি তাকে কিচি জিজ্ঞাসা করি না। গল্প বলল আমাকে -তা জীবনের গল্প। গল্পটা শুনতে শুনতে গাটা শিউরে উঠল মৃদুলের।
মৃদুলের মাথায় অনেক যন্ত্রনা নিয়ে বেশ কয়েকদিন পর সে গল্পটা আমি এক বুদ্ধিমতী মানুষকে বললাম ,যদি মাথারটা হালকা হয়। কিন্তু হয় গল্পটা শুনে তিনিও বলেন ,সুমন্ত তোমার গল্পের শোনে গা শিউরে উঠেছে আমার।
পুরো ব্যাপারটা অত্যন্ত অস্বাভাবিক মনে হল মৃদুলের।মেয়েটি তাকে দেখে শুধু ককেই ওঠেনি ,ভয় পেয়ে কিছুটা চিৎ`কার করেও উঠেছে। পরে কক্ষ দুটো চারদিকে প্রসারিত করে এমন ভাবে তাকিয়েছে ,জেন্ সে মঙ্গল গ্রহের আজব কোন প্রাণী ,যার মাথা অধি কাংশ জায়গা দখল করে আছে তার সামঞ্জস্যহীন বড় বড় দুটো চোখ।
তবু মুগ্ধ চোখে তাকাল মৃদুল। সদ্য ঘুম থেকে ওঠা প্রশান্ত চোখ,বা গালে ছোট্র একটা প্রাচীন দাগ ,সারা মুখে ব্যক্তিত্বের অভিজ্ঞার ছায়া ,শুধু নাকটাই একটু বোচা ধরনের। মেয়েটি কিছু বলার আগেই কিছুটা লজ্জিত ভঙ্গিতে মৃদুল বলল ,"আমি দু:খিত ,হৃদয়ে ভেতরে থেকে দু:খিত।
কিছু বলল না মেয়েটি। কেবল মৃদুলকে পাশ কেটে সামনের দিকে পা বাড়াতে আবার থমকে দাঁড়াল সে। মৃদুল তার সামনে এসে দাঁড়াল এবং দাঁড়িয়েই একটু শব্দ করে আবার বলল ,আমি দু:খিত।
গভীর চোখে মেয়েটি মৃদুলের দিকে তাকাল। তার পর এর চেয়েও গভীর কন্ঠে বলল ,ঠিক আছে। "
ঠোঁটের কোনায় যে এক টুকরো হাসি ঝুলছিল মৃদুলের ,হাসিটা সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ল এবার। চোখের মনি দুটো আরো চকচক করে উঠল তার ,তার পরে সে চকচকে চোখ নোয়েই কিছুটা সম্মোহিতের মতো বলল ,"আপনার নাম তো টুসি না ?"
মেয়েটি আগের মত ছোট্র করে উত্তর দিল ,জ্বি।
[উৎস] লেখক- সুমন্ত্র আসলাম ।
আজ এই পর্যন্ত বাকি অংশটা আর কোন একদিন লিখব ।
ধন্যবাদ সবাইকে
Replies (0)
Conversation
No replies yet
Replies will appear here as people join the conversation.